শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বিনা উসকানিতে হামলা: ফখরুল

0

স্কাইনিউজ প্রতিবেদক: খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবিতে সমাবেশ করতে না দেওয়ার প্রতিবাদে বিএনপির কালো পতাকা কর্মসূচিতে পুলিশি হামলা এবং নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ জানিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার পুলিশের তৎপরতায় এই কর্মসূচি পণ্ড হয়ে যাওয়ার পর তার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে দুপুর ১২টায় নয়া পল্টনে দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন বিএনপি মহাসচিব।

ফখরুল বলেন, “আমরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে একটি জনসভা করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু দেয়নি। তার প্রতিবাদে ১ ঘণ্টার কালো পতাকা প্রদর্শনের কর্মসূচি করতে চেয়েছিলাম। দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বিনা উসকানিতে পুলিশ হামলা করে।

“পুলিশ বেপরোয়াভাবে নেতা-কর্মীদের বেধড়ক লাঠিচার্জ এবং টেনে হিঁচড়ে ভ্যানে তুলতে শুরু করে। সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশ বিনা উসকানিতে হামলা চালিয়ে প্রমাণ করল দেশ দুঃশাসনের করাল গ্রাসে।”

সরকারের সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, “প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক এখন জনগণ নয়, এখন প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক আওয়ামী লীগ।”

সকাল ১১টায় এই কালো পতাকা প্রদর্শনের কর্মসূচি হওয়ার কথা ছিল নয়া পল্টনে। ফখরুলসহ বিএনপি নেতা-কর্মীরা তার আগেই সেখানে জড়ো হয়েছিলেন।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কয়েকশ কর্মী কার্যালয়ের সামনে সড়কে কালো পতাকা নিয়ে বসে পড়লে পুলিশ লাঠিপেটা শুরু করে, জলকামান থেকে রঙিন পানিও ছুঁড়তে থাকে।

লাঠিপেটায় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজূলুল হক মিলন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আতাউর রহমান ঢালী ও সাবেক সংসদ সদস্য নীলোফার চৌধুরী মনিসহ কয়েকজন আহত হন।

কেন্দ্রীয় নেতা মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলসহ বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ।

অন্যদিকে, সকাল ১১টার দিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান কার্যালয়ে ঢোকার সময় আরেক দফা আক্রমণ চালায় পুলিশ। সাবেক ছাত্রনেতা মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলকে তখন পুলিশ আটক করে। আটক করা হয় কেন্দ্রীয় নেতা হালিমা নেওয়াজ আরলিকেও।

পুলিশি হামলা এবং নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ জানিয়ে দুপুর ১২টার দিকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সংবাদ সম্মেলনের পর নিচে নেমে এলে পুলিশ আটক করে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আলালকে।

রঙিন পানিতে আক্রান্ত হন বিএনপি মহাসচিব ফখরুলসহ অন্য নেতারাও। তারা দলীয় কার্যালয়ের ভেতরে অবস্থান নিয়ে আছেন। বাইরে পুলিশ ঘিরে রেখেছে।

 

LEAVE A REPLY

five × 4 =