প্রিয়দর্শিনি প্রিয়ভাষিণি সুহাসিনী ‘কান্তা’

0

নিজস্ব প্রতিবেদক: সে এক হৃদয়ছোঁয়া শব্দাবলী । উচ্চারিত শব্দ তাঁর, ছন্দে হাঁটে, তাল-লয়ে। তিনি বলে যান…। আমরা শুনি। সেই কথার মেঘমালায় যেন ভাসে, স্বর্গবাসীনির কোন এক সুর। সেই সুরস্পর্শে আমরা বিমোহিত হই, জেগে উঠি। মনে হয়, এই-ই সেই!

কান্তা জামান। জন্ম সিলেটে। ছোটবেলায় রেডিওতে হাতেখড়ি। আর এখন? সুপরিচিত, চৌকষ অভিনেত্রী। ঢাকা কমার্স কলেজ থেকে এম.কম করেছেন। মঞ্চ আর টিভি ছাড়িয়ে এখন পা রেখেছেন, চলচ্চিত্রে। অভিনয় এবং পরিচালনা। স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে। পাশাপশি ফ্রিল্যান্সিং করছেন, শিল্পকলায়। এ পর্যন্ত শেষ করেছেন ৫ নাটকের কাজ।

কথা হলো, দীর্ঘক্ষণ। সেই কথোপকথনের ভাললাগা শব্দাবলী নিয়েই এই লেখা।

লেখা: অদিত রায়হান, ছবি: সংগ্রহ

স্কাই নিউজ: মঞ্চনাট্য আন্দোলন থেকে কি আমরা সরে এসেছি?

কান্তা জামান: আমি তা মনে করি না। বলতে পারেন, এখানে আরও আধুনিকতা যোগ হয়েছে। বাড়ছে গ্রহণযোগ্যতা।

স্কাই নিউজ: কিন্তু সেইভাবে কি পৃষ্ঠপোষকতা পাচ্ছে, মঞ্চনাটক?

কান্তা জামান: সেটা পাচ্ছে না। যতটুকু পাওয়া যাচ্ছে, সেটা যথেষ্ট না। আরও বাড়ানো উচিৎ।

স্কাই নিউজ: আপনার পছন্দের নাট্যকার?

কান্তা জামান: প্রাণখোলা হাসি দিয়ে বললেন- অনেক। তবে আমাদের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, সৈয়দ শামসুল হক-এর নাটক অন্যরকম। আর শেক্সপিয়রের নাটকতো বরাবরই ভিন্ন মাত্রার।

স্কাই নিউজ: আপনার কি মনে হয়, এর মাধ্যমে সমাজ পরিবর্তন সম্ভব?

কান্তা জামান: দেখুন,সমাজ পরিবর্তনের বিষয়টা সময়সাপেক্ষ। তবে এটা কিন্তু অস্বীকারের উপায় নেই যে, স্বেচ্ছাচারিতার প্রতিরোধ সম্ভব। নাটকের সঠিক উপস্থাপনা কিন্তু বিবেককে জাগিয়ে তোলে। মানুষকে সচেতন হতে শেখায়। মঞ্চনাটকের গল্প, অভিনয়ের মাধ্যমে কিন্তু একটা ইতিবাচক মেরুকরণ সম্ভব।

স্কাই নিউজ: আপনি বলতে চাইছেন, মঞ্চনাটকের মাধ্যমে একজন মানুষের নৈতিক মূল্যবোধ জাগিয়ে তোলা সম্ভব?

কান্তা জামান: নিশ্চিতভাবেই সম্ভব। নাটকের ভাষা মানুষকে বদলে দেয়। এর মাধ্যমে পরিবর্তন আসে চিন্তা-বিশ্বাস-অনুভূতির। সবচেয়ে বড় কথা- সময়ের স্বাপ্নিক ব্যবহার কেবলমাত্র সম্ভব মঞ্চনাটকের মাধ্যমেই। মানুষকে ‘মানুষ’ হিসাবে কাছে নিয়ে আসার শিক্ষা কেবলমাত্র এর মাধ্যমেই সম্ভব।

LEAVE A REPLY

two × four =