ঠাণ্ডায় থাকুন, কমবে ডায়াবেটিস ও ওবেসিটি, বলছে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সমীক্ষা

0

ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা, কুল কুল। সুস্বাস্থ্যের চাবিকাঠি। ডায়াবেটিস হোক বা ওবেসিটি, ঠাণ্ডায় থাকলেই এক ধাক্কায় কাত। ভাববেন না, গল্পকথা। তাক লাগানো এই সমীক্ষা অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের।

উফ! যা গরম পড়েছে টেকা দায়। শুধু বাইরে কেন, ঘরেও ঘেমেনেয়ে নাজেহাল মানুষজন। যারা ডায়াবেটিসে ভুগছেন, তাঁদের হাল যেন আরও বেহাল। এই রোগ যে হারে থাবা বসাচ্ছে জীবনে, তাতে এর পরিচিতিই এখন সাইলেন্ট কিলার নামে।

গবেষণায় উঠে এসেছে, ডায়াবেটিসের কারণে ৯ বছর পর্যন্ত আয়ু কমে যেতে পারে আক্রান্তদের। ভারতে ৫ কোটিরও বেশি মানুষ টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। খুলে দিন জানালা-দরজা। শুধু মনের নয়, ঘরেরও। হাওয়া-বাতাস খেলুক বেশি করে। গুমোট নয়, দরকার ঠাণ্ডা ঘর। সেটাই কিন্তু ডায়াবেটিস, ওবেসিটির যম। বলছে সমীক্ষা।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের সমীক্ষায় উঠে এসেছে তাক লাগানো তথ্য, তাপমাত্রা  মাত্র এক ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড বাড়লে, তা প্রায় এক লক্ষ নতুন ডায়াবেটিস আক্রান্তের জন্ম দিতে পারে। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, গ্লোবাল ওয়ার্মিং ও ডায়াবেটিসের হার বৃদ্ধির মধ্যে যোগসূত্র রয়েছে। বিশ্বজুড়ে টাইপ টু ডায়াবেটিস কার্যত মহামারীর আকার নেওয়ার পিছনে, অত্যধিক হারে তাপমাত্রা বৃদ্ধির বড় হাত রয়েছে। শরীরকে ঠাণ্ডা রাখাই ডায়াবেটিসের প্রভাব কমানোর অন্যতম পথ।

ঠাণ্ডা পরিবেশে থাকলে ইনসুলিন সংবেদনশীলতা অনেকটাই বাড়ে, যা ডায়াবেটিসকে দূরে ঠেলে দেয়। ওবেসিটি বা অতিস্থূলতা নিয়ন্ত্রণে আনতেও ঠাণ্ডা পরিবেশ জরুরি। ঠাণ্ডায় থাকলে দেহে বিপাকীয় হারের মাত্রা অনেকটাই বেড়ে যায়। মানবদেহে সাধারণত দুধরণের ফ্যাট থাকে, হোয়াইট ফ্যাট এবং ব্রাউন ফ্যাট। দেহে ব্রাউন ফ্যাট থেকেই শক্তি এবং তাপ উত্‍পন্ন হয়, ঠাণ্ডায় থাকলে যে কাজের হার বাড়ে এবং ওজন কমে।

ডায়াবেটিস থাকবে দশ হাত দূরে। শুনতে হবে না মোটা হওয়ার গঞ্জনা।… দাওয়াই শুধু, ঠাণ্ডায় থাকা। সুস্বাস্থ্যের এই ফর্মূলা কিন্তু মোটেই শক্ত নয়। কি বলেন?

LEAVE A REPLY

sixteen + 19 =