… ওরা এখন কোথায় আছে, কেমন আছে?

0

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাত পোহালেই অস্তিত্বের একুশ।চৈতন্যের একুশ।আত্ম পরিচয়ের একুশ।স্বাধীনতার একুশ।অধিকারের একুশ।

কিন্তু কীভাবে পেলাম, কাদের জন্যে পেলাম আর কেনই বা পেলাম- তা কি জানি? জানলেও, কতটুকুই বা সমৃদ্ধ তথ্য আছে সেই জানায়?

আমরা জানি- সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার ও শফিউরদের কথা।

কিস্তু সত্য এই, তাঁদের পরিবারের সদস্যরা ভালো নেই। জানা গেছে, উপযুক্ত সম্মান ও রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা থেকে তারা নিজেদের বঞ্চিত মনে করছেন। কারণ সারা বছর তাদের কোনো খোঁজখবর রাখা হয় না। ভাষা আন্দোলন বা একুশ সংক্রান্ত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানেও জানানো হয় না আমন্ত্রণ।

সরকারি বরাদ্দ হিসেবে- শহীদদের প্রত্যেক পরিবারকে ১০ হাজার টাকা দেওয়া হলেও, তা পেতে পেতে বছর ঘুরে যায়। পোহাতে হয় ভোগান্তি। ক্ষোভ আছে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও মর্যাদা নিয়েও।

যাঁদের জন্যে আমার বাংলা ভাষা, যাদের আন্দোলনের পরবর্তী ফসল ‘স্বাধীনতা’, সেই তাঁদের পরিবারের দীর্ঘশ্বাস নিয়ে কি এগুতে পারবো আমরা!

আমরা কি পারি না, তাঁদের পরিবারকে উপযুক্ত সম্মান জানাতে? পারি না কি, ন্যূনতম আর্থিক কষ্ট দূর করতে?

অনেক দিন গড়িয়েছে। বিলম্ব না করে, ভাষা আন্দোলনে শহীদ পরিবারের উত্তরসূরীদের যথাযোগ্য মর্যাদা এবং সম্মান জানানো উচিত। ভুলে গেলে চলবে না- এই আমার পরিচয় মিশে আছে, তাঁদেরই রক্তধারায়। সেই অপরিশোধ্য ঋণের বোঝা কিছুটা হলেও হালকা করা উচিত, তাঁদের পরিবারের জন্যে কিছু করে।

সরকারের দায়িত্বশীল যাঁরা আছেন, তাঁরা বিষয়টি আত্মিকভাবে উপলদ্ধি করবেন- প্রত্যাশা সেটাই।

বেঁচে থাক ‘বাংলা’, বেঁচে থাক ‘একুশ’- শত কোটি হৃদয়ের সুগভীর স্পন্দনে…।

LEAVE A REPLY

eighteen − one =