আবার বাড়লো চালের দাম

0

স্কাইনিউজ প্রতিবেদক: গত বছরের মাঝামাঝি থেকেই অস্থির চালের বাজার। কখনও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফসল নষ্ট হওয়ায়, কখনও আমদানি সমস্যার কারণে চালের দাম বেড়েছে দফায় দফায়। চলতি বছরে এসেও চালের বাজার দরে স্থিরতা আসেনি।

এরইমধ্যে আরেক দফা চালের দাম বেড়েছে। এবার কেজি প্রতি ৩ টাকা করে চালের দাম বেড়েছে বলে বিক্রেতারা জানান।

খুচরা বিক্রেতাদের তথ্য অনুযায়ী, কেজি প্রতি নাজিরশাইল চালের দাম ৩ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৭৩ টাকায়, ১ নম্বর মিনিকেটের দাম ৩ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকায়, ২ টাকা বেড়ে সাধারণ মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৬২ টাকায়, বিআর-২৮ চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায় এবং স্বর্ণা ও পারিজা চালের দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৪৫ টাকায়।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) মিরপুর-৬ নম্বর ও ১০ নম্বর কাঁচাবাজার ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে। খুচরা বিক্রেতারা জানান, আমন মৌসুম শেষে চাল বাজারে চলে এসেছে অনেক আগে। এখন বোরো মৌসুম আসার অপেক্ষা এবং আমন শেষ হওয়ার মাঝামাঝি সময় চলছে। এই সময়ে চালের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পায়।

অন্যদিকে পেঁয়াজের বাজারেও অস্থিরতা চলছে। সর্বশেষ খুচরা বাজারের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৫৫ ও আমদানি করা পেঁয়াজ ৫০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু গত সপ্তাহে দেশি পেঁয়াজ খুচরা বিক্রি হয়েছে ৫০ টাকায়।

পেঁয়াজ ও চালের বাজারে ক্রেতারা অস্বস্তিতে থাকলেও সবজির বাজারে ক্রেতাদের জন্য স্বস্তি রয়েছে। সবজির খুচরা বাজারের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি কেজি টমেটো ১০-১৫ টাকা, পেঁপে ২০ টাকা, বেগুন ৪০ টাকা, সিম ৪০ টাকা, মূলা ১৫ টাকা, কাঁচামরিচ ৫৫ টাকা, ধনিয়াপাতা ৬০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৩৫ টাকা, গাজর ৬০ টাকা, আলু ২০ টাকা, প্রতি পিস বাঁধাকপি ও ফুলকপি ১৫ টাকা, লাল শাক, পালং শাক ও ডাটা শাক দুই আঁটি ১৫ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে অপরিবর্তিত রয়েছে রসুন, চিনি, আদা ও ডালের দাম। সর্বশেষ খুচরা বাজারের তথ্য অনুযায়ী, দেশি রসুন ৮০ টাকা, আমদানি করা রসুন ৮৫ টাকা, চিনি ৫৫-৬০ টাকা, দেশি মসুর ডাল ১০০-১২০ টাকা ও আমদানি করা মসুর ডাল ৬০ টাকা কেজি করে বিক্রি হচ্ছে।

 

LEAVE A REPLY

two + 15 =